Himsagor (সাতক্ষীরা) হিমসাগর আম
750.00৳ – 2,950.00৳
ডেলিভারি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
-
ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও সিলেট সিটির বাইরে থেকে অর্ডারকৃত হিমসাগর আম নির্ধারিত কুরিয়ার শাখা থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
-
যদি কেউ হোম ডেলিভারি নিতে চান, সেক্ষেত্রে এক্সট্রা ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য হবে।
প্রাকৃতিক কারণজনিত বিলম্ব
আম একটি মৌসুমি ও প্রাকৃতিক ফল হওয়ায়, কখনো কখনো অনাকাঙ্ক্ষিত আবহাওয়া — যেমন বৃষ্টির দিন আম পাড়া সম্ভব না হওয়া, বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বাধা—ডেলিভারি সময়সীমায় প্রভাব ফেলতে পারে।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে ডেলিভারি ডেট পরিবর্তিত হতে পারে। আমরা গ্রাহকের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ।
প্যাকেজের বিবরণ
-
প্রতি ৫ কেজি হিমসাগর আমের প্যাকেজে গড়ে ২৩ থেকে ২৫টি আম থাকতে পারে (আকার অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে)।
আমের রাজা হিমসাগরের স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য
হিমসাগর (Himsagor) আমকে বাংলাদেশের “আমের রাজা” বলা হয়। এর অপূর্ব ঘ্রাণ, মধুর স্বাদ ও রসালো শাঁস একে অন্য সব জাতের আম থেকে আলাদা করে তোলে। হিমসাগর আমের ত্বক মসৃণ ও পাতলা, ফলে খাওয়ার সময় খোসা সহজেই ছাড়িয়ে ফেলা যায়। এর শাঁস নরম, আঁশবিহীন এবং আকর্ষণীয় হলুদ-কমলা রঙের হয়ে থাকে।
এই আম মূলত সাতক্ষীরার বিখ্যাত আমবাগান থেকে সংগ্রহ করা হয়। এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর এবং অল্প পরিমাণে রাজশাহীতেও এর চাষ হয়। হিমসাগর আমের স্বাদ ও গুণগত মানের জন্য এর চাহিদা সবসময়ই বেশি।
ভোক্তার নিরাপদ ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে এই আম Good Manufacturing Practice (GMP) এবং Food Safety নির্দেশিকা অনুসরণ করে ৭টি ধাপ অতিক্রম করে বাজারজাত করা হয়।
আস্থার হিমসাগর আম সংরক্ষণ ও পরিবহনের সঠিক পদ্ধতি
হিমসাগর আম অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি ফল, তাই এর সঠিক সংরক্ষণ ও পরিবহন পদ্ধতি জানাটা অত্যন্ত জরুরি। আস্থা সবসময়ই গুণগত মান ও ভোক্তার সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নিচে হিমসাগর আম সংরক্ষণ ও পরিবহনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হলো:
১। পরিপক্ক কিন্তু কাঁচা আম সরবরাহ:
আমরা এমন আম সরবরাহ করি যা গাছে পরিপক্ক হলেও এখনও পাকেনি। কারণ এ ধরনের আম সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিকভাবে পেকে যায় ইনশাআল্লাহ। এতে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে।
২। সংরক্ষণের নিয়ম:
-
আমগুলো কার্টুন থেকে বের করে নিন।
-
বোঁটা থাকলে তা ফেলে দিন এবং আমগুলোকে উপুড় করে পাটের বস্তা বা নরম কাপড়ের উপর রাখুন। এতে আমের কষ সহজে বের হয়ে যাবে।
-
প্রতিটি আম আলাদা করে ভার্জিন পেপার (কালিমুক্ত কাগজ) দিয়ে মুড়িয়ে রাখলে তা ভালোভাবে পাকে এবং আঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকে।
-
সাধারণত দুই-একদিনের মধ্যেই আম খাওয়ার উপযোগী হয়ে যায় ইনশাআল্লাহ।
৩. সংরক্ষণের পরিবেশ:
-
আম অবশ্যই শুষ্ক, আলোবাতাসপূর্ণ ও স্বাভাবিক তাপমাত্রার জায়গায় সংরক্ষণ করুন।
-
কখনোই কার্টুন বা প্লাস্টিকের বক্সে দীর্ঘসময় রাখবেন না, এতে গরমে পচে যেতে পারে।
৪. খাওয়ার সময়সীমা:
-
আম পেকে গেলে যত দ্রুত সম্ভব খেয়ে ফেলুন।
-
বিশেষ করে হিমসাগর আম পাকার পর বেশিদিন রাখা হলে বোঁটার দিক থেকে পচে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৫. সমস্যা হলে যোগাযোগ করুন:
-
পরিবহনের সময় বা সংরক্ষণের পর আমে কোনো সমস্যা দেখা দিলে, অথবা আম ঠিকভাবে না পাকলে দ্রুত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।
৬. খাওয়ার আগে প্রস্তুতি:
-
খাওয়ার কমপক্ষে ২০ মিনিট আগে আম ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে আমের স্বাদ ও পুষ্টিমান আরও বৃদ্ধি পায়।
হিমসাগর আমের চেনার কিছু মূল বৈশিষ্ট্য হলো:
-
বাহ্যিক রঙ ও খোসা:
হিমসাগর আমের রঙ পাকার পরেও হালকা সবুজ রয়ে যায়। এটি কখনোই গাঢ় হলুদ বা কমলা হয়ে ওঠে না। খোসা পাতলা ও মসৃণ, যা সহজে ছাড়ানো যায়। -
আকৃতি ও গঠন:
এই আমের ঠোঁট (নিচের দিকের বাঁকানো অংশ) থাকে না। এর বুকের দিকটা গোলাকার এবং মাঝামাঝি সামান্য অবতল থেকে লম্বাটে, শীর্ষদেশ গোল আকৃতির হয়। এতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পরিচ্ছন্ন গঠন লক্ষ্য করা যায়। -
শাঁস ও স্বাদ:
হিমসাগরের শাঁস আঁশবিহীন, রসালো ও ঘন হলুদাভ-কমলা রঙের হয়ে থাকে। এর স্বাদ মিষ্টি, কিন্তু অতিরিক্ত নয় — বরং এক ধরনের সূক্ষ্ম সুবাস ও মাধুর্য নিয়ে আসে। -
গন্ধ:
হিমসাগর আমে একটি বিশেষ মনমাতানো প্রাকৃতিক ঘ্রাণ থাকে যা একে অন্য যেকোনো জাতের আম থেকে আলাদা করে তোলে।
👉 সচেতনতার বার্তা:
হিমসাগরের মতো জনপ্রিয় আমের নাম ব্যবহার করে অনেক সময় ভিন্ন জাতের আম বিক্রি করা হয়, যা ভোক্তাকে প্রতারিত করে। তাই কেনার সময় আমের গঠন, রঙ, গন্ধ ও শাঁস দেখে যাচাই করে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
Additional information
| KG | ৫ কেজি, 10 kg, 20kg |
|---|















Reviews
There are no reviews yet.