প্রিমিয়াম গাওয়া ঘি (Ghee)
450.00৳ – 1,690.00৳
🌿 কেন আস্থা শপের ঘি অনন্য?
✨ খাঁটি গরুর দুধ থেকে তৈরি – ১০০% প্রাকৃতিক ও আসল ঘি।
✨ আসল স্বাদ ও পুষ্টি ধরে রাখে – প্রতিটি চামচে শৈশবের সেই ঐতিহ্যবাহী স্বাদ।
✨ খাবারে বাড়তি স্বাদ যোগ করে – ভাত, ভর্তা, ডাল বা মিষ্টি – সবকিছুই হয় আরও সুস্বাদু।
✨ ভিটামিন A, D, E ও K সমৃদ্ধ – যা চোখ, হাড়, ত্বক ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
✨ মান ও বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা – কোনো ভেজাল বা কেমিক্যাল ছাড়াই স্বাস্থ্যকর ঘি।
✨ রান্নার সব কাজে উপযোগী – ভাজা, তরকারি, খিচুড়ি বা মিষ্টি – যেকোনো রান্নায় ব্যবহারযোগ্য।
👉 আস্থা শপের ঘি শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং আপনার সুস্থতার জন্য এক নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।
অর্ডার করার জন্য নিচে – ২৫০ গ্রাম ,৫০০ গ্রাম অথবা ১ কেজি ✅ অপশন সিলেক্ট করে অর্ডার করুণ ।
✨ সাধ্যের মধ্যে রাজকীয় খাবার ✨
রাজকীয় খাবার মানেই কি অনেক খরচ? ❌ না!
সাধ্যের মধ্যেও সম্ভব রাজকীয় খাবার খাওয়া।
একবার ভাবুন তো এই শীতে 🍂
সকালে বা দুপুরে প্লেটে আছে—
🥚 একটা সিদ্ধ ডিম
🥔 সরিষার তেল দিয়ে তৈরি আলুর ভর্তা
🌶️ ১–২টা পোড়া মরিচ
🍚 গরম ভাতের সাথে একটু খাঁটি ঘি
কি মনে হচ্ছে? 😍
হ্যাঁ… এটাই হলো সাধ্যের মধ্যে রাজকীয় খাবার 🍽️
আমাদের অনেকের ধারণা—ঘি, সরিষার তেল এগুলো খুব দামী খাবার।
কিন্তু সত্যি হলো 👉 এ ধরনের খাবার একবারে অল্প লাগে।
➡️ ধরুন, আপনি প্রতিদিন খাবারের সাথে একটু ঘি খান।
✅ ২৫০ গ্রাম খাঁটি ঘি মাত্র ৪৫০ টাকা।
✅ এই ৪৫০ টাকার ঘি দিয়ে ১৫–২০ দিন আরামে খাওয়া সম্ভব।
অর্থাৎ, রাজকীয় খাবার খেতে অনেক টাকা লাগে না।
প্রয়োজন শুধু পরিমিত ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে খাওয়ার অভ্যাস।
✅ ঘি এর উপকারিতা
১. হজমশক্তি উন্নত করে
-
ঘি হজমে সাহায্য করে এবং অম্লতা ও গ্যাস কমায়।
-
আয়ুর্বেদে বলা হয়, অল্প ঘি খেলে পাচনতন্ত্র সক্রিয় হয়।
২. শক্তি ও পুষ্টি যোগায়
-
ঘি উচ্চ ক্যালরি ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস।
-
শরীরকে শক্তি দেয় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।
৩. হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো
-
পরিমাণমতো খাওয়া হলে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়।
-
হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর স্বাস্থ্যে সহায়ক।
৪. মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
-
ঘিতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
-
মনোযোগ, স্মৃতি ও নার্ভের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
৫. ত্বক ও চুলের যত্নে
-
ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে।
-
শুষ্কতা কমায়, ঠোঁট ফাটা সারায়।
-
চুলে ব্যবহার করলে চুল নরম, মজবুত ও ঝলমলে হয়।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
-
ঘি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়।
-
সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৭. হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্যে
-
ঘিতে ভিটামিন K2 থাকে যা ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।
-
হাড় মজবুত করে এবং জয়েন্ট ব্যথা কমায়।
৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
-
ঘির ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায়।
-
সামান্য পরিমাণে খেলে ওজন কমাতেও সহায়ক হতে পারে।
✅ ঘি খাওয়ার নিয়ম
-
প্রতিদিন ১–২ চা চামচ খাওয়া যথেষ্ট।
-
রুটি, ভাত, খিচুড়ি বা ডাল ভাতের সাথে খেতে পারেন।
-
সকালে গরম দুধে ½ চা চামচ ঘি মিশিয়ে খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।
Additional information
| KG | ১কেজি, ২৫০গ্রাম, ৫০০ গ্রাম |
|---|















Reviews
There are no reviews yet.