গাঞ্জিয়া চাল (Ganjia Rice)
170.00৳ – 850.00৳ (-8%)
স্বাস্থ্য উপকারিতা
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: এটি একটি নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Low GI) যুক্ত খাবার। ফলে খাওয়ার পর রক্তে হুট করে শর্করার মাত্রা বাড়ে না, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
- ওজন হ্রাস ও হজমশক্তি বৃদ্ধি: উচ্চ মাত্রার ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এই ভাত অল্প খেলেই দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যা অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে।
- হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: এই চালে রয়েছে ‘সেলেনিয়াম’ এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ধমনীতে ব্লক তৈরি হতে বাধা দেয়।
অর্ডার করতে নিচের দেওয়া – ১ কেজি, 5 কেজি অপশনে ✅ করুণ
গাঞ্জিয়া চাল (Ganjia Rice) হলো বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী, বিরল এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর দেশি আমন জাতের লাল বা বাদামি চাল (Red/Brown Rice)। এটি মূলত দেশের উত্তরাঞ্চলে (যেমন গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম) ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় বা চরের পলিমাটি সমৃদ্ধ জমিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে চাষ করা হয়। এই ধান চাষে কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। সাধারণ লাল চালের মতো এটি মোটা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের অন্যতম সবচেয়ে চিকন লাল চাল হিসেবে পরিচিত।
বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ
- ফাইবার বা আঁশ: বাজারে সাধারণত এর দুই ধরনের সংস্করণ পাওয়া যায়—ফুল ফাইবার (যেখানে চালের পুষ্টিকর লাল আবরণ বা ব্র্যান পুরোটা বজায় থাকে) এবং হাফ ফাইবার (আংশিক ছাঁটা)। [
- স্বাদ ও সুবাস: এই চালের ভাত দারুণ সুগন্ধযুক্ত, নরম এবং হালকা মিষ্টি স্বাদের হয়। গ্রামীণ একটি প্রবাদ আছে যে, গাঞ্জিয়া চালের ভাত এতটাই সুস্বাদু যে শুধু লবণ দিয়েই এক থালা ভাত খেয়ে ফেলা যায়। [
- ব্যবহার: এটি দিয়ে ভাত ছাড়াও পিঠা তৈরির গুঁড়া, খই এবং চিড়া চমৎকার হয়; তবে চাল অত্যন্ত চিকন হওয়ায় এটি দিয়ে ভালো মুড়ি তৈরি হয় না।
রান্নার নিয়ম
আঁশযুক্ত চাল হওয়ায় সাধারণ চালের তুলনায় এটি সিদ্ধ হতে কিছুটা বেশি সময় নেয়। তাই রান্নার আগে চাল ভালোভাবে ধুয়ে ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখলে দ্রুত এবং সমানভাবে সিদ্ধ হয়।
Additional information
| KG | ৫ কেজি, ১কেজি |
|---|













Reviews
There are no reviews yet.